Section 60 of BSA : ধারা ৬০: যেসব ক্ষেত্রে নথি সম্পর্কিত গৌণ প্রমাণ দেওয়া যেতে পারে।

The Bharatiya Sakshya Adhiniyam 2023

Summary

গৌণ প্রমাণের মাধ্যমে নথির অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু প্রমাণ করা যেতে পারে যখন মূল নথি আদালতে উপস্থিত করা সম্ভব নয়। এটি এমন পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য যেখানে মূল নথি অন্যের অধিকারভুক্ত, ধ্বংস হয়েছে, হারিয়ে গেছে, বা সহজে স্থানান্তরযোগ্য নয়। এছাড়াও, সরকারি নথি বা অসংখ্য নথির ক্ষেত্রে গৌণ প্রমাণ ব্যবহার করা যেতে পারে। লিখিত স্বীকৃতি বা প্রত্যয়িত অনুলিপি গৌণ প্রমাণ হিসাবে গ্রহণযোগ্য।

JavaScript did not load properly

Some content might be missing or broken. Please try disabling content blockers or use a different browser like Chrome, Safari or Firefox.

Explanation using Example

উদাহরণ ১:

রবি তার প্রাক্তন ব্যবসায়িক অংশীদার সুরেশের সাথে জমির মালিকানা নিয়ে আইনি বিরোধে আছে। রবি দাবি করে যে মূল বিক্রয় দলিল, যা তার মালিকানা প্রমাণ করে, সুরেশের কাছে আছে। অনেক অনুরোধ সত্ত্বেও, সুরেশ মূল নথি তৈরি করতে অস্বীকার করে। ভারতীয় সাক্ষ্য আইন ২০২৩ এর ধারা ৬০(ক)(i) অনুযায়ী, রবি আদালতে বিক্রয় দলিলের একটি ফটোকপি গৌণ প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করতে পারে, কারণ মূলটি যার বিরুদ্ধে নথি প্রমাণ করতে চাওয়া হচ্ছে তার অধিকারভুক্ত।

উদাহরণ ২:

প্রিয়া তার বন্ধুকে ঋণ পরিশোধ করেছে তা প্রমাণ করার চেষ্টা করছে। মূল ঋণ চুক্তি প্রিয়ার বাড়িতে আগুনে ধ্বংস হয়ে গেছে। ভারতীয় সাক্ষ্য আইন ২০২৩ এর ধারা ৬০(গ) অনুযায়ী, প্রিয়া ঋণ চুক্তির একটি স্ক্যান করা অনুলিপি গৌণ প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করতে পারে, কারণ মূলটি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং ক্ষতি তার নিজের দোষ বা অবহেলার কারণে নয়।

উদাহরণ ৩:

দিল্লির একটি সরকারি অফিসে রাজেশের মূল জন্ম সনদ রয়েছে, যা তাকে আদালতের মামলায় তার বয়স প্রমাণ করতে প্রয়োজন। যেহেতু মূল জন্ম সনদটি ধারা ৭৪ অনুযায়ী একটি সরকারি নথি, রাজেশ ভারতীয় সাক্ষ্য আইন ২০২৩ এর ধারা ৬০(ঙ) অনুযায়ী জন্ম সনদের একটি প্রত্যয়িত অনুলিপি গৌণ প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করতে পারে।

উদাহরণ ৪:

মীনা একটি মামলায় জড়িত যেখানে তাকে তার কোম্পানির গত দশ বছরের আর্থিক লেনদেন প্রমাণ করতে হবে। মূল নথিগুলি অসংখ্য হিসাব বই এবং রেকর্ড নিয়ে গঠিত যা আদালতে সুবিধামত পরীক্ষা করা যায় না। ভারতীয় সাক্ষ্য আইন ২০২৩ এর ধারা ৬০(ছ) অনুযায়ী, মীনা একটি যোগ্য হিসাবরক্ষক দ্বারা প্রস্তুত করা হিসাবের সারাংশ গৌণ প্রমাণ হিসাবে উপস্থাপন করতে পারে যাতে আর্থিক লেনদেনের সাধারণ ফলাফল প্রদর্শিত হয়।

উদাহরণ ৫:

বিক্রম তার নিয়োগকর্তার সাথে চুক্তির শর্তাবলী নিয়ে আইনি লড়াইয়ে আছে। নিয়োগকর্তা লিখিতভাবে স্বীকার করেছে যে মূল চুক্তিতে বিক্রমের পক্ষে কিছু শর্ত রয়েছে। ভারতীয় সাক্ষ্য আইন ২০২৩ এর ধারা ৬০(খ) অনুযায়ী, বিক্রম লিখিত স্বীকৃতি গৌণ প্রমাণ হিসাবে ব্যবহার করতে পারে যাতে মূল চুক্তির বিষয়বস্তু প্রমাণিত হয়।